এহছানুল হক মিলন
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চান?
আমরা সকল বাংলাদেশের শিক্ষার্থীর HSC ২৬-এর জনমত সংগ্রহ করছি। “ফার্মের মুরগি” মন্তব্য, লাঠিচার্জ ও প্রহসনের ক্ষমা — আপনার অবস্থান জানান এক ক্লিকেই।
সময় খুব কম। একজন শেয়ার করলে ১০+ বন্ধু ভোট দেয় — আপনার এক ক্লিকেই কণ্ঠস্বর ১০ গুণ বড় হবে। প্রতিটি শেয়ার = এক দফা দাবির নতুন কণ্ঠস্বর।
কেন শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ অনিবার্য
আবেগ নয়, তথ্য ও বাস্তবতার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের অবস্থান।
-
🐔১. ‘ফার্মের মুরগি’ — শিক্ষার্থীদের অবমাননা
লক্ষ লক্ষ HSC শিক্ষার্থীকে ‘ফার্মের মুরগি’ বলে তুলনা করে মন্ত্রী পুরো শিক্ষার্থীসমাজের মর্যাদায় সরাসরি আঘাত হেনেছেন।
-
🥢২. শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে লাঠিচার্জ
যৌক্তিক দাবি নিয়ে রাস্তায় নামা শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জের নির্দেশ — একজন শিক্ষামন্ত্রীর কাছ থেকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য।
-
🌊৩. দুর্যোগেও জোরপূর্বক পরীক্ষা
বন্যা, জলাবদ্ধতা ও যোগাযোগ বিপর্যয়ের মধ্যেও পরীক্ষা চাপিয়ে দেওয়া — শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার চেয়ে ইগো বড় হয়ে উঠেছে।
-
🙅৪. শিক্ষার্থীদের কথা না শোনা
লক্ষাধিক শিক্ষার্থী পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন — কোনো সংলাপ নয়, একতরফা সিদ্ধান্তেই অটল।
-
🎭৫. প্রহসনের ক্ষমা
চাপের মুখে লোকদেখানো ক্ষমা — কোনো দায় নেওয়া নেই, কোনো ব্যবস্থা নেই। এই ক্ষমাপ্রার্থনা শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়।
-
⚖️৬. সংকট মোকাবিলায় ব্যর্থতা
দুর্যোগ, বৈষম্য, ক্ষোভ — কোনোটির উপযুক্ত সমাধান নেই। ব্যর্থতার দায় নিয়ে সরে দাঁড়ানোই একমাত্র সম্মানজনক পথ।
শিক্ষামন্ত্রীর প্রহসনের ক্ষমা প্রত্যাখ্যান — পদত্যাগের এক দফা দাবি
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ এবং শিক্ষার্থীদের “ফার্মের মুরগি” বলে অবমাননাকর মন্তব্য করার মাধ্যমে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন শিক্ষার্থীসমাজের মর্যাদায় আঘাত হেনেছেন। পরবর্তীতে দেওয়া তাঁর ক্ষমাপ্রার্থনা শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্য নয়। এই প্রহসনের ক্ষমা আমরা প্রত্যাখ্যান করছি।
টানা বৃষ্টি, জলাবদ্ধতা ও দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেও এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন জেলায় শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছেন। বৈরী আবহাওয়ায় অনেকে কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেননি, পথে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেওয়া শিক্ষার্থীদের প্রতি চরম উদাসীনতার পরিচয় বহন করে।
শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোর মধ্যে ছিল — দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষা স্থগিত করা, ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা এবং অবমাননাকর মন্তব্যের দায় নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ। কিন্তু শিক্ষার্থীদের কথা না শুনেই অমানবিকভাবে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।
এখন আমাদের এক দফা, এক দাবি — শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের অবিলম্বে পদত্যাগ।
এই পাতা কোনো দাবি চাপিয়ে দেয় না — শুধু জিজ্ঞেস করে: আপনি কী চান? উপরের ভোটই আপনার উত্তর।